বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কাল রবিবার জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চাঁদপুর জেলা শাখার পরিচিতি সভা চাঁদপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার জেলা কমিটির অনুমোদন সভাপতি সাইফুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান প্রত্যয়-এর উদ্যোগে করাইল বস্তিতে মাসিককালীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মশালা সাংবাদিক কেএম মাসুদের মায়ের ইন্তেকাল  হাজিগঞ্জে পরিবর্তনের হাওয়া! ‘স্মার্ট পৌরসভা’ গড়ার ভিশনে আলোচনায় অধ্যক্ষ মো. সালাউদ্দিন ভূঁইয়া ভোট চাইতে আসিনি নিউরো বিশেষজ্ঞ ডা. বশীর আহমেদ হৃদয়কে ফুলেল শুভেচ্ছা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব রাব্বানী আর নেই চাঁদপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানের যোগদান অ্যাডঃ সলিম উল্যাহ সেলিমকে চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ

হিজাবকাণ্ডে অভিযুক্ত ভিকারুননিসার সেই শিক্ষিকা বরখাস্ত

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৪৯ বার পঠিত

হিজাব পরায় ছাত্রীদের ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকা ফজিলাতুন নাহারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে ভিকারুন্নেসা নূন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগমের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বসুন্ধরা প্রভাতি শাখার ষষ্ঠ শ্রেণির একটি শ্রেণি কক্ষ হতে ২২ জন শিক্ষার্থীকে হিজাব পরার কারণে ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এবং এডহক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বসুন্ধরা প্রভাতি শাখার সহকারী শিক্ষক ফজিলাতুন নাহারকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে কেন তাকে চাকরি হতে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না, এ মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৪ আগস্ট ভিকারুননিসার বসুন্ধরা শাখায় ষষ্ঠ শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হিজাব পরায় ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে শিক্ষিকা ফজিলাতুন নাহারের বিরুদ্ধে।

অভিভাবক ও কয়েকজন শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রোববার স্কুলের প্রভাতি শাখার ষষ্ঠ শ্রেণিতে ২০-২২ জন শিক্ষার্থী হিজাব পরে ক্লাসে আসে। সব ক্লাসে তারা উপস্থিত থাকলেও কোনো শিক্ষকই তাদের হিজাব নিয়ে আপত্তি করেননি। কিন্তু শেষ পিরিয়ডের ইংরেজি শিক্ষক ফজিলাতুন নাহার শিক্ষার্থীদের ক্লাস থেকে বের করে দেন। এসময় তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের।

ভুক্তভোগী কয়েকজন অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রোববারও তাদের সন্তানরা হিজাব পরে ক্লাসে যায়। পরে বাসায় ফিরে ছাত্রীরা জানান, হিজাব পরার কারণে তাদের ক্লাস থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এ সময় ‘মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মতো কেন হিজাব পরে এসেছে’ বলে তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারও করা হয়।

তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফজিলাতুন নাহার। অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমি হিজাব পড়তে নিষেধ করিনি। আমি শুধু বলেছি, সঠিকভাবে হিজাব পড়তে হবে। এ কারণে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য কয়েকজন ছাত্রীকে ক্লাসের বাইরে দাঁড় করিয়েছিলাম। পরে তারা আবার ক্লাসে যোগ দিয়েছে। আমি জানিয়েছি, আগামীকাল একজন ভলান্টিয়ার এসে তাদের সঠিকভাবে হিজাব করার নিয়ম দেখিয়ে দেবে।

তিনি আরও বলেন, আমি ‘জঙ্গি’ বলিনি। আমি শুধু বলেছি, এভাবে ওড়না পরে সাধারণত মাদরাসার মেয়েরা আসে, তারা তো মাদরাসায় পড়ে না। জঙ্গি বলেছি—এমন অভিযোগ সঠিক নয়।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর