
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
আগামী শিক্ষাবর্ষের (২০২৬) প্রথম দিন ১ জানুয়ারিতেই মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যবই পৌঁছে দিতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যেই পাঠ্যপুস্তক ক্রয় প্রক্রিয়ায় দরপত্র দাখিলের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ১৫ দিন করার প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি।
এ ছাড়া সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে প্রাথমিক স্তরের (৪র্থ ও ৫ম শ্রেণি) বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনের ৯৮টি লটের মোট ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫১ কপি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এ কাজে সরকারের ব্যয় হবে ১৮৭ কোটি ১১ লাখ টাকা।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১ জানুয়ারিতে সব শিক্ষার্থীর হাতে একসঙ্গে পাঠ্যবই পৌঁছে দিতে ব্যর্থ হয়েছিল সরকার। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাই এবার সময় সংকোচনের মাধ্যমে বই সরবরাহের কাজ দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে আরও অনুমোদন দেওয়া হয়—
হবিগঞ্জের শাহজিবাজার ৩৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র মেরামতে ১১১ কোটি টাকা ব্যয়।
তিউনিশিয়া থেকে ২৫ হাজার টন টিএসপি সার এবং মরক্কো থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানি।
সার সংরক্ষণ ও বিতরণের সুবিধার্থে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণে ৬১৭ কোটি ৩২ লাখ টাকা ব্যয়।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনের কারণে দরপত্র আহ্বানের সময়সীমা কমিয়ে আনা হয়েছে। এতে আশা করা হচ্ছে, নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যের পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।