মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন

প্রায় পঁচিশ বছর পর রামচন্দ্রপুর ফাযিল মাদরাসার সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণ

মেঘনার আলো ২৪ ডেস্ক / ৪৯৯ বার পঠিত
আপডেট : বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ১২:০৫ অপরাহ্ণ

মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
হাজীগঞ্জের বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী রামচন্দ্রপুর কাসেমিয়া ছিদ্দিকিয়া ফাযিল (ডিগ্রি) মাদরাসার সম্পত্তির (ভূমি) সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল হাসেম (এম.এ হাসেম হাসু) এর সার্বিক প্রচেষ্টায় প্রায় পঁচিশ বছর পর মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মাদরাসার নিজস্ব ৪৭ শতাংশ সম্পত্তির (ভূমি) সীমানা নির্ধারণ করা হয়।
জানা গেছে, ওই ইউনিয়নের ৯২নং রামচন্দ্রপুর মৌজার বিএস ৯৭ দাগে ৪৫ শতাংশ ও ৯৮ দাগে ২ শতাংশসহ মোট ৪৭ শতাংশ ভূমি মাদরাসার নামের রয়েছে। কিন্তু মাদরাসার বেশ কিছু সম্পত্তি এলজিইডি সড়কের পাশে হওয়ায় কিছু সম্পত্তি মাদরাসার দখলে আর কিছু সম্পত্তিতে স্থানীয়রা দোকানঘর তুলে নিজেদের দখলে রেখেছেন। এতে বেশ কিছু ভূমি মাদরাসার বেহাত হয়ে যায়।
এর মধ্যে গত প্রায় পঁচিশ বছর ধরে স্থানীয় প্রভাবশালী ও সরকারি কর্মকর্তাসহ অনেকে মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এবং একাধিক ব্যক্তি অধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু কেউ মাদরাসার সীমানা নির্ধারণে উদ্যোগ গ্রহণ করেননি এবং মাদরাসারও দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন হয়নি। সবশেষ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম.এ হাসেম হাসু মাদরাসার সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
তিনি মাদরাসার সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণ ও নতুন ভবন নির্মাণের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। এম.এ হাসেম হাসু চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) নির্বাচনী এলাকার সাংসদ মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমের দেওয়া ডিও লেটারের মাধ্যমে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের অনুমোদন ও মাদরাসার সীমান নির্ধারণের কাজ শুরু করেন। যার ফলে মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মাদরাসার সীমানা নির্ধারণ করা হয়।
এসময় মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সহ-সভাপতি এমরান হোসেন খন্দকার, দাতা সদস্য জামাল উদ্দিন খন্দকার, ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য হাবিবুর রহমান ভুইয়া, মফিজুল ইসলাম, শাহাদাৎ হোসেন, অধ্য মুহাম্মদ শামছুদ্দীনসহ পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্য, শিক্ষক, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সীমান নির্ধারণে কাজ করেন, সার্ভেয়ার মো. ইকবাল হোসেন, মো.হুমায়ুন আহমেদ, সাখাওয়াত হোসাইন খন্দকার।

মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক, অভিভাবক, দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এম.এ হাসেম হাসু বলেন, সবার সার্বিক সহযোগিতায় মাদরাসার ৪৭ শতাংশ সম্পত্তি নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করছি খুব শিঘ্রই মাদরাসার নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর