শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আইয়ুব বেপারীকে ১৪ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদকের সমর্থন ছুটি শেষে কর্মস্থলে যোগদান করলেন চাঁদপুর সদর ইউএনও নভেম্বরে রে‌মিট্যান্স এসেছে ১৫৯ কোটি ডলার হাজীগঞ্জ বাজারে কিউসি টাওয়ারে আগুন, ফায়ারম্যানসহ আহত ১০ বিজয়ের মাস ডিসেম্বর কাল শুরু একসঙ্গে এসএসসি পাস করলেন বাবা-মেয়ে চাঁদপুরে ইনকিলাব সাংবাদিক কন্যার সাফল্য শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামীলীগের নব-নির্বাচিত সভাপতি কামরুজ্জামান মিন্টুর মাজার জিয়ারত ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা সভাপতি কামরুজ্জামান মিন্টু, সম্পাদক জেড. এম আনোয়ার….. শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামীলীগের এি- বার্ষিক সন্মেলন সম্পন্ন ফরিদগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে নৌকা  চার নাম্বারে, আনারসের জয়

পদ্মা সেতু খুলে দিলে মাদারীপুরে শিল্প বিপ্লব হবে

মেঘনার আলো ২৪ ডেস্ক / ৪৯ বার পঠিত
আপডেট : সোমবার, ২০ জুন, ২০২২, ৮:৪০ অপরাহ্ণ

দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্নের পদ্মা সেতু ২৫ জুন উদ্বোধন করা হবে। এই সেতুকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে পদ্মাপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে আনন্দে চলছে। বিশেষ করে এই সেতু উদ্বোধনের পর মাদারীপুর তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চলে শিল্প বিপ্লব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ব্যবসায়ীরা। ইতোমধ্যে পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে মাদারীপুরে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রচুর সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। সেতুকে ঘিরে পদ্মা পাড়ের মানুষের জীবন-জীবিকার মানও পরিবর্তন করার চেষ্টা চলছে। হাতে নেওয়া হয়েছে শত শত কোটি টাকা ব্যয়ে মেগা প্রকল্প। এতে আশান্বিত সাধারণ মানুষ।

সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা সেতুর দুই পাড়ের সংযোগ সড়কের পিচ ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। মূল অংশের পিচ ঢালাই কাজও শেষ। আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সেতুর উদ্বোধন করবেন। পদ্মা সেতু চালুর মধ্যদিয়ে পুরো অঞ্চলের চেহারা বদলে যাবে। অর্থনীতি ও সামাজিক ক্ষেত্রেও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।  মাদারীপুরে বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের জন্যে সরকারের পক্ষ থেকে অধিগ্রহণ করা হয়েছে প্রায় ৫ হাজার একর জমি। এরই মধ্যে কয়েকটি প্রকল্পে কাজ দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। এছাড়া বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন কলকারখানা গড়ে তোলার জন্য জমি ক্রয় করছে বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিবচরের কুতুবপুরে ৭০ একর জায়াগায় দেশের প্রথম ইনফরমেশন টেকনোলজি ইনস্টিটিউট ও হাইটেক পার্ক নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের চিঠি দিয়েছে মন্ত্রণালয়। একই ইউনিয়নে ১০৮ একর জমিতে বেনারসি পল্লী নির্মাণের কাজ চলছে। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নির্মাণের জন্য ১৫ একর জমি অধিগ্রহণ শেষে কাজ চলমান রয়েছে। পরিকল্পিত শহরায়নের জন্য ৭৫০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে শিবচরে।  এখানে দাদাভাই উপশহর নামে পরিকল্পিত শহরায়নের কাজ প্রায় শেষ পর্যায় রয়েছে। চরাঞ্চলের চরজানাজাতে অলিম্পিক ভিলেজ নির্মাণের প্রস্তাবনাও রয়েছে।

রাজধানী ঢাকা এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রী ও পণ্য পরিবহণ নিরাপদ, সময় সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক করার লক্ষ্যে বাংলাদশে সরকাররে নিজস্ব র্অথায়নে সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে সড়ক ব্যবহার করে মেট্রোরেল নির্মাণের পরকিল্পনার রয়েছে সরকারের। এছাড়া মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় ইকোনোমিক জোন নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজও চলমান রয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর থেকে পায়রা বন্দর পর্যন্ত এলাকা ঘিরে উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান করতে যাচ্ছে সরকার। যার মনিটরিং করছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। মাস্টারপ্ল্যানে থাকছে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, আধুনিক পর্যটন স্থাপনা, শিল্পভিত্তিক বন্দরনগরী, পরিকল্পিত নগরায়ণ, যোগাযোগ, অর্থনীতি ও কৃষি খাতে উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা ও দুর্যোগ ঝুঁকিসহ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলাভিত্তিক কার্যক্রম।

মাদারীপুরের ব্যবসায়ী জালাল মাহমুদ বলেন, বেসরকারি উদ্যেগে বিভিন্ন কলকারখানা নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। এই অঞ্চলে কর্মসংস্থান বাড়বে। কমবে বেকারত্ব। অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ সোনালী দিনের স্বপ্ন দেখছে এসব প্রকল্প ঘিরে। তবে আমাদের এই অঞ্চলে গ্যাসের সংযোগ নেই। গ্যাসের সংযোগ না থাকলে কলকারখানা গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই সরকারের কাছে আমাদের দাবি উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে যেন গ্যাস সংযোগের ব্যবস্থা করে।

মাদারীপুর বিসিক শিল্প নগরীর সহকারী মহা ব্যবস্থাপক নাজমুল হক বলেন, পদ্মা সেতুকে ঘিরে চলমান প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হলে দক্ষিণাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক চিত্র বদলে যাবে। এখানে গড়ে উঠবে শিল্প কলকারখানা। বাড়বে কর্মসংস্থান। বাড়বে ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্র। মাদারীপুরে দুইটি বিসিক রয়েছে। আরও দুটি বিসিক শিল্প নগরী গড়ে তোলার প্রস্তবনা রয়েছে। সে মোতাবেক কাজ চলছে।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড.রহিমা খাতুন বলেন, পদ্মা সেতু খুলে দিলে এই অঞ্চলের ব্যপক উন্নয়ন হবে। তাঁত শিল্প টিকিয়ে রাখতে গড়ে তোলা হবে শেখ হাসিনা তাঁতপল্লী। এছাড়াও একটি ইকোনোকি অঞ্চল গড়ে তোলার প্রস্তাবনা দেওয়া আছে। সব কিছু ঠিক থাকলে মাদারীপুরে শিল্প বিপ্লব হবে বলেই আশা করি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফরিদপুর বাসা খোঁজা মেয়ে ব্যাচেলরদের জন্য ‘মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল নিজস্ব প্রতিবেদক : ফরিদপুর বাসা খোঁজা মেয়ে ব্যাচেলরদের জন্য ‘মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেল। নানা ঝামেলার কারণে বাসা পাওয়া থেকে শুরু করে খাওয়া-দাওয়ার অসুবিধায় পড়তে হয় ফরিদপুর শহরের ব্যাচেলর মেয়েদের। বিশেষ করে মফস্বল থেকে ফরিদপুর শহরে পড়াশোনা অথবা চাকরির জন্য আসা ব্যাচেলর মেয়েদের থাকার জায়গা বা বাসা ভাড়া নিয়ে এটা দীর্ঘদিনের সমস্যা। নানা কারণে তাদের কাছে বাসা ভাড়া যেন সোনার হরিণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে এখন ই যোগাযোগ করুন মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল, ফরিদপুর শহরে পুরাতন পাসপোর্ট অফিস মোড়,ঝিলটুলী,মোবাইলঃ ০১৭৯১-১৯৪৩৯৪। মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেল দীর্ঘ ৯ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। “মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেল এটি সম্পুর্ণ মহিলা দ্বারা পরিচালিত” এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছেন মিসেস আফরোজা জনি। মাত্ছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেলে ছাত্রী ও চাকরিজীবী মহিলা ব্যাচেলরদের জন্য রয়েছে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত রুম, তিনবেলা স্বাস্থ্যকর খাবার, এবং কাপড় ধোঁয়ার জন্য সুব্যবস্থা , হাইস্পিড ইন্টারনেট, এলইডি টিভি, কমনরুম ও ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা,সহ ২৫ টিরও অধিক সুবিধা রয়েছে। এতে নরমাল রুম ভাড়া ৩ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং ভিআইপি রুম ৭ হাজার ৯৯৯ টাকায় ব্যাচেলর মহিলা’রা থাকার সুযোগ পাবেন। মিসেস আফরোজা জনি বলেন ‘ব্যাচেলর মহিলাদের দুর্বিষহ জীবন থেকে রক্ষা করতে জাতীয় মানের হোস্টেল মাত্ছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেল দীর্ঘ ৯ বছর সুনামের সঙ্গে চালু করে আসছি’ মিসেস আফরোজা জনি, আরও বলেন, ‘এখানে না আছে বাজার করার দুশ্চিন্তা, না আছে কাপড় ধোয়ার চিন্তা। এমনকি বাসা পরিবর্তনের ঝামেলাও পোহাতে হবে না। একটি ফর্ম পূরণের মাধ্যমেই খুব সহজে মাত্ছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেল এ থাকতে পারবে। বিঃদ্রঃ “মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল এর পক্ষ থেকে পরীক্ষার্থী ছাত্রীদের জন্য এক বিশেষ ছাড় ” যে সকল ছাত্রী পরীক্ষা দেওয়ার জন্য হোস্টেল থাকার চিন্তা করছেন তাদের জন্য এক মাস বা পরীক্ষার এই সময় টা মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেলে থেকে পরীক্ষা দিতে পারবেন এবং সেই সাথে সকল ধরনের সুবিধা ও পাবেন। অনার্স ১ম বর্ষের এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছাত্রীদের কথা চিন্তা করে এমন সুযোগ সুবিধা ব্যবস্থা করছেন বলে জানিয়েছেন মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল কতৃপক্ষ।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর