বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কেন্দ্রিয় নেতাদের স্বাগত জানিয়ে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী রোমানের পক্ষে মিছিল কচুয়ায় ট্রাক ও সিএনজি সংঘর্ষে হতাহত ৬ মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তির লটারি ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর চাঁদপুরে আধুনিক কর্ণার শপিং কমপ্লেক্সের উদ্বোধন মুক্তিযোদ্ধা আঃ আজিজ খান সড়ক দুর্ঘটনায় আহত।। সিএমএইচ ভর্তি মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনের পথ থেকে আমরা কখনো বিচ্যুত হবো না: শিক্ষামন্ত্রী চাঁদপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে স্মার্ট আইডি কার্ড ও সনদ বিতরণ মাধ্যমিকে উর্ত্তীর্ণদের ভর্তি প্রতিযোগিতায় ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই : শিক্ষামন্ত্রী আমরা যুদ্ধ চাই না: প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুর সদর-পৌর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন কাল

দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর মৃত্যু

মেঘনার আলো ২৪ ডেস্ক / ১৩০ বার পঠিত
আপডেট : শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী এরশাদুল হকও (৩৫) মারা গেছেন। গত রাত ১০টায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর সমর্থক বাদল সরকারের (২৩) মৃত্যুর পরে এরশাদুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠান চিকিৎসকেরা। ঢাকায় আসার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত এরশাদুল হক উপজেলার নাটঘর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের ছেলে এবং আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ছিলেন। নিহত বাদল একই ইউনিয়নের নান্দুরা গ্রামের সন্তোষ সরকারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাটঘর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বার্ধক্যজনিত কারণে প্রায়ই অসুস্থ থাকেন। তাই আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আবুল কাশেমের স্থলে তাঁর ছেলে এরশাদুল হক চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। গতকাল শুক্রবার রাতে ইউনিয়নের কুড়িঘর গ্রামের বাজার এলাকায় ওয়াজ মাহফিল চলছিল। এরশাদ ও বাদলসহ কয়েকজন মোটরসাইকেলে করে সেই মাহফিলে যান। ওয়াজ মাহফিলে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে উপস্থিত সবার কাছে দোয়া চান তিনি। সেখান থেকে ফেরার পথে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন বাদল এবং তাঁর পেছনে বসা ছিলেন এরশাদ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ১, গুলিবিদ্ধ চেয়ারম্যানের ছেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ১, গুলিবিদ্ধ চেয়ারম্যানের ছেলে

ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়লে সামনে চালকের আসনে বসা বাদল প্রথমে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। একই সঙ্গে এরশাদকে লক্ষ্য করে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত এরশাদকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসক তাঁকে ঢাকায় পাঠান। তবে ঢাকায় পৌঁছানোর আগেই গাড়িতে এরশাদুলের মৃত্যু হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বাদলের পর এরশাদও ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা গেছেন। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আমি নিজেও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ছাড়া নবীনগর থানার ওসি আমিনুর রশীদ ও তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে নাটঘরে আছেন। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন ও জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর