বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৪:২৮ অপরাহ্ন

পশুর যেসব ত্রুটি থাকলে কোরবানি হয় না

মেঘনার আলো ২৪ ডেস্ক / ১৬০ বার পঠিত
আপডেট : শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ

কোরবানি জায়েজ হওয়ার জন্য মৌলিকভাবে পশু চারটি মারাত্মক ত্রুটি থেকে মুক্ত হতে হবে। তা হলো—ক. গুরুতর অন্ধত্ব, খ. গুরুতর অসুস্থতা, গ. খোঁড়া হওয়া, ঘ. গুরুতর স্বাস্থ্যহানি ও অঙ্গহানি ঘটা। (আল-ফিকহুল ইসলামী ওয়া আদিল্লাতুহু, কোরবানি অধ্যায়, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ)

উল্লিখিত মূলনীতির আলোকে আলেমরা বলেন, কোনো পশুর দুই চোখ বা এক চোখ অথবা এক চোখের এক-তৃতীয়াংশের বেশি নষ্ট হয়ে গেলে তা দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ নয়। অনুরূপ যে পশুর একটি কান বা লেজের এক-তৃতীয়াংশের বেশি কেটে গেছে তা দ্বারাও কোরবানি করা বৈধ নয়।

যে পশু এমন খোঁড়া যে, মাত্র তিন পায়ের ওপর ভর করে চলে, চতুর্থ পা মাটিতে লাগেই না, কিংবা মাটিতে লাগে বটে কিন্তু তার ওপর ভর করে চলতে পারে না—এমন পশু দ্বারা কোরবানি করা বৈধ নয়। তবে যদি খোঁড়া পায়ের ওপর ভর করে চলতে পারে, তাহলে তা দ্বারা কোরবানি করা বৈধ। (ফাতাওয়ায়ে শামি: ৫/২২৮)

কোনো পশুর হাড়ের মগজ বা মজ্জা শুকিয়ে গেলে তা দ্বারা কোরবানি করা বৈধ নয়। দাঁত ওঠেনি এমন পশু দ্বারাও কোরবানি করা জায়েজ নয়।

তবে যদি বেশির ভাগ দাঁত অবশিষ্ট থাকে তাহলে তা দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ। শিং ওঠেনি এমন পশু দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ। অনুরূপ শিংয়ের অগ্রভাগ ভেঙে গেলেও তা দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ। কিন্তু শিং মূল থেকে ভেঙে গিয়ে থাকলে তা দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ নেই।

যে পশুর গায়ে বা কাঁধে দাদ বা খুজলি হয়েছে তা দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ। কিন্তু ঘা যদি গোশত পর্যন্ত পৌঁছে যায় এবং তার কারণে পশুর স্বাস্থ্যহানি ঘটে তাহলে এরূপ পশু দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ নেই। (হেদায়া: ৪/৪৩২)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর