শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন

ফরিদপুরে ইউএনও’র উপর হামলায় চেয়ারম্যানসহ চার জন রিমান্ডে

মেঘনার আলো ২৪ ডেস্ক / ৪৪ বার পঠিত
আপডেট : সোমবার, ৮ মে, ২০২৩, ১০:০০ অপরাহ্ণ

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপর গ্রামবাসীর হামলার ঘটনায় পুলিশের হাতে আটকের এক নাম্বার আসামী ডুমাইন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান তপনসহ অপর তিন আসামীর রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ফরিদপুরের ৫ নম্বর আমলী আদালতের জ্যৈষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ মারুফ হাসান।

সোমবার আসামীদের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয় বলে মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে আরও জানান, অভিযুক্তদের আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। বিজ্ঞ আদালত ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আসাদুজ্জামান তপনকে দুই দিন এবং অপর তিনজনকে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বলে জানান।

এদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিকুর রহমানের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাংচুরের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবীতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হক ও সাধারণ সম্পাদক শাহ মোঃ ইশতিয়াক আরিফের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নেতারা জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল আহসান তালুকদারের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি দেন। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আলী আশরাফ পিয়ার, উপ-প্রচার সম্পাদক আলী আজগর মানিক উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও হামলা ও গাড়ি ভাংচুরের প্রতিবাদে মধুখালী উপজেলা পরিষদ, উপজেলা কর্মচারি কল্যাণ ক্লাব, মধুখালী ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে একটি মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে। সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম। এ সময় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মুরাদুজ্জামান মুরাদ, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারি ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ।

এছাড়া উপজেলা কর্মচারি কল্যাণ ক্লাবের আয়োজনে পৃথক আরেকটি মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- কর্মচারি কল্যাণ ক্লাবের সভাপতি শাহ্ মো. রকিবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আবু তারেক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সিএ মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, গত ৪ মে দুপুরে মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর চরপাড়া এলাকায় আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ কাজের পরিদর্শনে করতে গিয়ে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আশিকুর রহমান চৌধুরী। এ সময় স্থানীয়রা ওই স্থানে আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ কাজে বাধা দেন এবং এক পর্যায়ে একদল মহিলাসহ পুরুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার সহকারী, আনসার সদস্যসহ ছয়জন আহত হন। ভাংচুর করা হয় সরকারি গাড়িটিও।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর