রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :

ফরিদগঞ্জে ভিজিএফ এর নকল কার্ড তৈরির অভিযোগ

মেঘনার আলো ২৪ ডেস্ক / ৬১ বার পঠিত
আপডেট : শনিবার, ৯ জুলাই, ২০২২, ৫:২৯ অপরাহ্ণ

 

 

ফরিদগঞ্জ বু্রো:
ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ভিজিএফ এর চাল বিতরণের নকল কার্ড তৈরির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম কাউছার আলম কামরুল নকল শতাধিক কার্ড জব্দ করেছেন। একই সাথে নকল কার্ডে চাল বিতরণের কারণে বঞ্চিত প্রকৃত কার্ডধারীদের নিজের ব্যক্তিগত অর্থায়নে চাল ক্রয় করে বিতরণ করেছেন। অভিযোগের তীর স্থানীয় কয়েকজন ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। যদিও তারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
জানা গেছে, পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা কর্মসূচীর অংশ হিসেবে দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ১৮৪৩জন কার্ডধারী ১০কেজি করে চাল বিতরণ করার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এস এম কাউছার আলম কামরুল নিজে কার্ড তৈরি করে ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে কার্ড বিতরণ করেন।

ইউপি চেয়ারম্যান এস এম কাউছার আলম কামরুল জানান, গত শুক্রবার (৮জুলাই) দিনব্যাপি এই কার্ডের বিপরীতে চাল বিতরণ কালে কিছু নকল কার্ড ধরা পড়ে। যাতে তার মূল কার্ডের অবিকল করে লোকজনের কাছে দেয়া হয়। এক পর্যায়ে এ ধরনের প্রায় ১৩০ টি নকল কার্ড খুঁজে পান। যাদের অধিকাংশই বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ পুর্বে যেগুলো ধরা পড়ে তাদের কার্ডগ্রহিতাদের জিজ্ঞাসাবাদ কালে ওই লোকজন জানান, ওই কার্ডগুলো তাদেরকে ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য দিয়েছেন। এদের মধ্যে কার্ডধারীরা ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হাসান আলী ও মোঃ ফারুক হোসেন লিটন এসব কার্ড তাদের দিয়েছেন বলে স্বীকার করেন।

নকল কার্ডধারী ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা খোকেনের স্ত্রী ও ৮ নং ওয়ার্ড রোকেয়া বেগম জানান, আমরা আমাদের এলাকার মেম্বাদের মাধ্যমে কার্ড পাই,আমরাতো জানি না এগুলো নকল কার্ড।
ইউপি চেয়ারম্যান এস এম কাউছার আলম কামরুল শনিবার দুপুরে জানান, নকল কার্ডের কারণে চাল কম হওয়ার কারণে আমি এখন আমার নিজ উদ্যোগে ১ টন চাল ক্রয় করে শনিবার (৯ জুলাই) বাকী কার্ডধারীদের চাল দিয়েছি। ইতিমধ্যেই এই বিষয়টি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ করা হবে।
এই ব্যাপারে ইউপি সদস্য মোঃ ফারুক হোসেন লিটন জানান, আমি এই ব্যাপারে কিছু জানি না।
অপর ইউপি সদস্য মোঃ হাসান আলী জানান, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আমাকে ৯৫ টি কার্ড দিয়েছে। আমি সেগুলো বিলি করেছি। নকলণ কার্ড কারা করছে আমি জানি না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর