রবিবার, ২২ মে ২০২২, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :

নিউমার্কেটে সংঘর্ষ: ফাস্টফুডের দোকানের সেই দুই কর্মচারী গ্রেফতার

মেঘনার আলো ২৪ ডেস্ক / ২৪ বার পঠিত
আপডেট : মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০২২, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ

নিউমার্কেট এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেফতার নিউ মার্কেট ক্যাপিটাল ফাস্টফুড দোকানের দুই কর্মচারী মো. বাবু হোসেন ও কাওসার।

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গ্রেফতাররা হলেন- নিউমার্কেট ক্যাপিটাল ফাস্টফুডের দোকানের কর্মচারী কাউসার ও বাবু।

সোমবার (৯ মে) রাতে রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলনার (১০ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবি প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

এ বিষয়ে ডিবি রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এইচ এম আজিমুল হক বলেন, সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় নিউমার্কেট থানায় দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে, গত ১৮ এপ্রিল রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সংঘর্ষ হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও পরেরদিন মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর থেকে ফের দফায় দফায় শুরু হয় সংঘর্ষ, যা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত।

এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অর্ধ শতাধিক আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া সংঘর্ষের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজন মারা গেছেন। তাদের একজন ডেলিভারিম্যান, অন্যজন দোকান কর্মচারী ছিলেন।

সংঘর্ষের সূত্রপাত নিউমার্কেটের ভেতরে থাকা ওয়েলকাম ও ক্যাপিটাল ফাস্টফুড নামের দুই দোকান কর্মচারীর দ্বন্দ্ব থেকে। সেই দোকান দুটি সিটি করপোরেশন থেকে মকবুলের নামে বরাদ্দ রয়েছে। তবে কোনো দোকানই নিজে চালাতেন না মকবুল। রফিকুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম নামে দুজনকে ভাড়া দিয়েছেন দোকান দুটি। রফিকুল ও শহিদুল পরস্পর আত্মীয়।

সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করে। একটি মামলা বিস্ফোরক আইনে এবং অন্যটি পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে করা হয়। দুই মামলায় নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ মোট ১২০০ জনকে আসামি করা হয়।

এছাড়া সংঘর্ষে নিহত নাহিদের বাবা মো. নাদিম হোসেন ও মুরসালিনের ভাই নুর মোহাম্মদ বাদী হয়ে নিউমার্কেট থানায় দুটি হত্যা মামলা করেন। এই চার মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে প্রায় এক হাজার ৪০০ জনকে। তবে তিনটি মামলার মধ্যে শুধু পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় বিএনপি নেতা মকবুলসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর