সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :

বাস, ছোট গাড়ি ও সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক মিলে সহস্রাধিক যানবাহন নৌপথে অপেক্ষায় রয়েছে।

মেঘনার আলো ২৪ ডেস্ক / ১৩২ বার পঠিত
আপডেট : শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২১, ৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ

টানা তিন দিন সরকারি ছুটি পেয়ে গ্রামের বাড়ি ফিরছেন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ। এ কারণে আজ সকাল থেকেই পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রী ও যানবাহনের বাড়তি চাপ পড়েছে।

ফেরিঘাট এলাকায় দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি। ৩০ মিনিটের নৌরুট পার হতে ঘাট এলাকায় অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে কয়েক ঘণ্টা। ঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাস, ছোট গাড়ি ও সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক মিলে সহস্রাধিক যানবাহন নৌপথে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশেন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম (বাণিজ্য) মো. জিল্লুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফেরিঘাট সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও সাপ্তাহিক ছুটি থাকার কারণে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই যানবাহনের বাড়তি চাপ পড়তে শুরু করে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়। হঠাৎ বাড়তি চাপ পড়ায় যানবাহন পারাপারে কিছুটা হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। তবে ফেরিঘাট এলাকায় অপেক্ষায় থাকা এসব যানবাহনগুলো সিরিয়াল অনুযায়ী পারাপার করার জন্য পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ছোটবড় মিলে ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় শতাধিক বাস, চার শতাধিক ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি এবং পাঁচ শতাধিক সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক নৌপথ পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম মো. জিল্লুর রহমান বলেন, তিন দিনের ছুটির কারণে দেশের বাড়ি ফিরছেন মানুষ। এ কারণে সকাল থেকেই পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যানবাহনের চাপ রয়েছে। তবে নৌপথে ১৬টি ফেরি দিয়ে অপেক্ষমাণ যানবাহনগুলোকে পারাপার করা হচ্ছে। সবশেষ ফেরিঘাট এলাকায় বাস, ছোট গাড়ি ও ট্রাক মিলে সহস্রাধিক যানবাহন নৌপথ পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানান ডিজিএম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফরিদপুর বাসা খোঁজা মেয়ে ব্যাচেলরদের জন্য ‘মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল নিজস্ব প্রতিবেদক : ফরিদপুর বাসা খোঁজা মেয়ে ব্যাচেলরদের জন্য ‘মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেল। নানা ঝামেলার কারণে বাসা পাওয়া থেকে শুরু করে খাওয়া-দাওয়ার অসুবিধায় পড়তে হয় ফরিদপুর শহরের ব্যাচেলর মেয়েদের। বিশেষ করে মফস্বল থেকে ফরিদপুর শহরে পড়াশোনা অথবা চাকরির জন্য আসা ব্যাচেলর মেয়েদের থাকার জায়গা বা বাসা ভাড়া নিয়ে এটা দীর্ঘদিনের সমস্যা। নানা কারণে তাদের কাছে বাসা ভাড়া যেন সোনার হরিণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে এখন ই যোগাযোগ করুন মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল, ফরিদপুর শহরে পুরাতন পাসপোর্ট অফিস মোড়,ঝিলটুলী,মোবাইলঃ ০১৭৯১-১৯৪৩৯৪। মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেল দীর্ঘ ৯ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। “মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেল এটি সম্পুর্ণ মহিলা দ্বারা পরিচালিত” এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছেন মিসেস আফরোজা জনি। মাত্ছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেলে ছাত্রী ও চাকরিজীবী মহিলা ব্যাচেলরদের জন্য রয়েছে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত রুম, তিনবেলা স্বাস্থ্যকর খাবার, এবং কাপড় ধোঁয়ার জন্য সুব্যবস্থা , হাইস্পিড ইন্টারনেট, এলইডি টিভি, কমনরুম ও ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা,সহ ২৫ টিরও অধিক সুবিধা রয়েছে। এতে নরমাল রুম ভাড়া ৩ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং ভিআইপি রুম ৭ হাজার ৯৯৯ টাকায় ব্যাচেলর মহিলা’রা থাকার সুযোগ পাবেন। মিসেস আফরোজা জনি বলেন ‘ব্যাচেলর মহিলাদের দুর্বিষহ জীবন থেকে রক্ষা করতে জাতীয় মানের হোস্টেল মাত্ছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেল দীর্ঘ ৯ বছর সুনামের সঙ্গে চালু করে আসছি’ মিসেস আফরোজা জনি, আরও বলেন, ‘এখানে না আছে বাজার করার দুশ্চিন্তা, না আছে কাপড় ধোয়ার চিন্তা। এমনকি বাসা পরিবর্তনের ঝামেলাও পোহাতে হবে না। একটি ফর্ম পূরণের মাধ্যমেই খুব সহজে মাত্ছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেল এ থাকতে পারবে। বিঃদ্রঃ “মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল এর পক্ষ থেকে পরীক্ষার্থী ছাত্রীদের জন্য এক বিশেষ ছাড় ” যে সকল ছাত্রী পরীক্ষা দেওয়ার জন্য হোস্টেল থাকার চিন্তা করছেন তাদের জন্য এক মাস বা পরীক্ষার এই সময় টা মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেলে থেকে পরীক্ষা দিতে পারবেন এবং সেই সাথে সকল ধরনের সুবিধা ও পাবেন। অনার্স ১ম বর্ষের এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছাত্রীদের কথা চিন্তা করে এমন সুযোগ সুবিধা ব্যবস্থা করছেন বলে জানিয়েছেন মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল কতৃপক্ষ।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর