বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কেন্দ্রিয় নেতাদের স্বাগত জানিয়ে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী রোমানের পক্ষে মিছিল কচুয়ায় ট্রাক ও সিএনজি সংঘর্ষে হতাহত ৬ মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তির লটারি ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর চাঁদপুরে আধুনিক কর্ণার শপিং কমপ্লেক্সের উদ্বোধন মুক্তিযোদ্ধা আঃ আজিজ খান সড়ক দুর্ঘটনায় আহত।। সিএমএইচ ভর্তি মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনের পথ থেকে আমরা কখনো বিচ্যুত হবো না: শিক্ষামন্ত্রী চাঁদপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে স্মার্ট আইডি কার্ড ও সনদ বিতরণ মাধ্যমিকে উর্ত্তীর্ণদের ভর্তি প্রতিযোগিতায় ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই : শিক্ষামন্ত্রী আমরা যুদ্ধ চাই না: প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুর সদর-পৌর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন কাল

সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবোই মেয়র তাফস

মেঘনার আলো ২৪ ডেস্ক / ১৫১ বার পঠিত
আপডেট : সোমবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২১, ১২:১৮ অপরাহ্ণ

যে ১৬৪৬টি রুট পারমিটবিহীন বাস চিহ্নিত করা হয়েছে, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সেগুলোর বিরুদ্ধে আমরা অভিযান পরিচালনা করব। সেই অভিযান হবে কঠোর। রুট পারমিটবিহীন যে সকল বাস পাবো, সেগুলো জব্দ করবো

ঢাকা শহরে চলাচল করা রুট পারমিটবিহীন বাস জব্দ করা হবে। এ ছাড়া যেকোনো মূল্যে গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

রোববার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে নগর ভবনের বুড়িগঙ্গা হলে বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির ১৯তম সভা শেষে সাংবাদিকদেরকে এ তথ্য জানান তিনি।

তাপস বলেন, ঢাকা শহরের গণপরিবহনে বিশৃঙ্খলা রয়েছে। সেজন্য আরো কঠোর হবো। আমরা দেখেছি, রুট পারমিট নেওয়া হয় একটি যাত্রাপথে কিন্তু সেই যাত্রাপথে বাস না চালিয়ে অন্য পথে পরিচালনা করা হয়। এখন থেকে যৌথ অভিযানের আওতায় আমরা সেসব বাসের বিরুদ্ধে কার্যক্রম নেবো এবং এক রুটের বাস অন্য রুটের পরিচালনা করা যাবে না। আমরা ঢাকা শহরের গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনবোই আনবো।

মেয়র বলেন, যে ১৬৪৬টি রুট পারমিটবিহীন বাস চিহ্নিত করা হয়েছে, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সেগুলোর বিরুদ্ধে আমরা অভিযান পরিচালনা করব। সেই অভিযান হবে কঠোর। রুট পারমিটবিহীন যে সকল বাস পাবো, সেগুলো জব্দ করবো। যেগুলো জব্দ করবো সেগুলো ধ্বংস করে দেবো। যাতে করে এই গাড়িগুলো সড়কে আসতে না পারে।

বাস মালিকদের অসহযোগিতা ও নানা বাঁধ-বিপত্তি অতিক্রম করেই বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রম বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ১ ডিসেম্বর ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর রুটে পাইলট প্রকল্পের অংশ হিসেবে বাস রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে বাস চালানোর ঘোষণা দিয়েছিলাম। ১ ডিসেম্বর থেকে এই রুটে বাস চালুর যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল, তা ফলপ্রসূ করা যায়নি। গণপরিবহনে দীর্ঘদিনের পুঞ্জিভূত যে বিশৃঙ্খলা, এই বিশৃঙ্খলায় অনেক অংশীজন রয়েছে। সকলকে শৃঙ্খলায় আনা অত্যন্ত দুরূহের কাজ। তারপরও আমরা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে এই কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। আমরা সংকল্পবদ্ধ, এটাকে আমরা বাস্তবায়ন করবই।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরে গণপরিবহনের শৃঙ্খলা আনার জন্য এই কমিটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। আমরা দুই মেয়র দায়িত্ব পাওয়ার পর গত বছরের অক্টোবর থেকে কার্যক্রম শুরু করি। করোনা মহামারির মাঝেও আমরা সভা পরিচালনা করেছি এবং এই কার্যক্রমকে ফলপ্রসূ করার জন্য নিরলসভাবে পরিশ্রম করে চলেছি।

পরীক্ষামূলক এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা এখন বিজ্ঞপ্তি দেবো। বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে উদ্যোক্তা, অন্যান্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আমরা আবেদন নেবো। সে আবেদনের প্রেক্ষিতে বিআরটিসি’র ৩০টি সহ আমরা নতুন ১০০টি বাস নির্ধারণ করব।

উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের ইচ্ছার কোন ত্রুটি ছিল না। সাধ্যমত চেষ্টা করেছিলাম পহেলা ডিসেম্বর বাস্তবায়ন করার জন্য। কিন্তু বিভিন্ন কারণে আমরা পারিনি। ‌এর মধ্যে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বাস মালিকরা। আমাদের যেভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তারা সেই প্রতিশ্রুতি রাখতে পারেননি। এই প্রেক্ষিতে বিআরটিসি’র সহযোগিতায় আগামী ২৬ ডিসেম্বর হতে ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত বাস চলাচল শুরু হবে।

সভায় বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম, রাজউক চেয়ারম্যান এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহম্মদ, ঢাকা মেট্রোপলিটনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ, গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. এস এম সালেহ উদ্দিনসহ কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফরিদপুর বাসা খোঁজা মেয়ে ব্যাচেলরদের জন্য ‘মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল নিজস্ব প্রতিবেদক : ফরিদপুর বাসা খোঁজা মেয়ে ব্যাচেলরদের জন্য ‘মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেল। নানা ঝামেলার কারণে বাসা পাওয়া থেকে শুরু করে খাওয়া-দাওয়ার অসুবিধায় পড়তে হয় ফরিদপুর শহরের ব্যাচেলর মেয়েদের। বিশেষ করে মফস্বল থেকে ফরিদপুর শহরে পড়াশোনা অথবা চাকরির জন্য আসা ব্যাচেলর মেয়েদের থাকার জায়গা বা বাসা ভাড়া নিয়ে এটা দীর্ঘদিনের সমস্যা। নানা কারণে তাদের কাছে বাসা ভাড়া যেন সোনার হরিণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে এখন ই যোগাযোগ করুন মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল, ফরিদপুর শহরে পুরাতন পাসপোর্ট অফিস মোড়,ঝিলটুলী,মোবাইলঃ ০১৭৯১-১৯৪৩৯৪। মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেল দীর্ঘ ৯ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। “মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেল এটি সম্পুর্ণ মহিলা দ্বারা পরিচালিত” এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছেন মিসেস আফরোজা জনি। মাত্ছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেলে ছাত্রী ও চাকরিজীবী মহিলা ব্যাচেলরদের জন্য রয়েছে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত রুম, তিনবেলা স্বাস্থ্যকর খাবার, এবং কাপড় ধোঁয়ার জন্য সুব্যবস্থা , হাইস্পিড ইন্টারনেট, এলইডি টিভি, কমনরুম ও ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা,সহ ২৫ টিরও অধিক সুবিধা রয়েছে। এতে নরমাল রুম ভাড়া ৩ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং ভিআইপি রুম ৭ হাজার ৯৯৯ টাকায় ব্যাচেলর মহিলা’রা থাকার সুযোগ পাবেন। মিসেস আফরোজা জনি বলেন ‘ব্যাচেলর মহিলাদের দুর্বিষহ জীবন থেকে রক্ষা করতে জাতীয় মানের হোস্টেল মাত্ছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেল দীর্ঘ ৯ বছর সুনামের সঙ্গে চালু করে আসছি’ মিসেস আফরোজা জনি, আরও বলেন, ‘এখানে না আছে বাজার করার দুশ্চিন্তা, না আছে কাপড় ধোয়ার চিন্তা। এমনকি বাসা পরিবর্তনের ঝামেলাও পোহাতে হবে না। একটি ফর্ম পূরণের মাধ্যমেই খুব সহজে মাত্ছায়া ছাত্রী হোস্টেল এন্ড মাতৃছায়া ভিআইপি ছাত্রী হোস্টেল এ থাকতে পারবে। বিঃদ্রঃ “মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল এর পক্ষ থেকে পরীক্ষার্থী ছাত্রীদের জন্য এক বিশেষ ছাড় ” যে সকল ছাত্রী পরীক্ষা দেওয়ার জন্য হোস্টেল থাকার চিন্তা করছেন তাদের জন্য এক মাস বা পরীক্ষার এই সময় টা মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেলে থেকে পরীক্ষা দিতে পারবেন এবং সেই সাথে সকল ধরনের সুবিধা ও পাবেন। অনার্স ১ম বর্ষের এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছাত্রীদের কথা চিন্তা করে এমন সুযোগ সুবিধা ব্যবস্থা করছেন বলে জানিয়েছেন মাতৃছায়া ছাত্রী হোস্টেল কতৃপক্ষ।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর