বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অবাধ ও সুষ্ঠু উপনির্বাচনে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে: কাদের অল্প কিছু ভোটের ব‍্যবধানে হেরেছে হিরো আলম এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু ৩০ এপ্রিল শাহতলী জোবাইদা বালিকা উবিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ স্বর্ণপদক পেল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৩ শিক্ষার্থী চাঁদপুরে ৪৪০ কেজি জাটকা এতিমখানা ও অসহায়দের মধ্যে বিতরণ বাংলাদেশ নিয়ে অন্যদের বাড়াবাড়ির সুযোগ নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহরাস্তির রাগৈ উচ্চ বিদ্যালয়ের রজতজয়ন্তী পুনমিলনী ও ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজের উদ্ভোধন  জমকালো আয়োজনে চাঁদপুরে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ফরিদগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৩

ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোছা: কামরুন্নাহারকে এজলাসে না বসার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

মেঘনার আলো ২৪ ডেস্ক / ১৩২ বার পঠিত
আপডেট : রবিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২১, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ

রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণ মামলার রায় দেওয়া ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোছা: কামরুন্নাহারকে আজ রবিবার সাড়ে ৯টা থেকে এজলাসে না বসার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। বিচারক কামরুন্নাহারের ফৌজদারি বিচারিক ক্ষমতা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

বিচারক কামরুন্নাহারকে আদালত থেকে প্রত্যাহার করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রধান বিচারপতি এ নির্দেশ দিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গত ১১ নভেম্বর দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারক বেগম মোছা: কামরুন্নাহার। রায়ে সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। খালাস পাওয়া পাঁচ আসামি হলেন আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার হোসেনের ছেলে শাফাত আহমেদ, শাফাত আহমেদের বন্ধু সাদমান সাকিফ, নাঈম আশরাফ, শাফাতের দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, মামলার দুই ভিকটিম আগে থেকেই সেক্সুয়াল কাজে অভ্যস্ত। তারা স্বেচ্ছায় হোটেলে গিয়েছেন। সেখানে গিয়ে সুইমিং করেছেন। ঘটনার ৩৮ দিন পর তারা বললেন, ‘আমরা ধর্ষণের শিকার হয়েছি’। অহেতুক তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রভাবিত হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছেন। এতে আদালতের ৯৪ কার্যদিবস নষ্ট হয়েছে। এরপর থেকে পুলিশকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। এ ছাড়া এরপর থেকে ধর্ষণের ৭২ ঘণ্টা পর যদি কেউ মামলা করতে যায়- তা না নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।

বিচারকের পর্যবেক্ষণের প্রতিক্রিয়ায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আমি রায়ের বিষয়বস্তু নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। অবজারভেশনে (৭২ ঘণ্টা পরে পুলিশ যেন কোনো ধর্ষণ মামলার এজাহার না নেয়) বিচারক যে বক্তব্য দিয়েছেন এ সম্পর্কে আমি বলতে পারি, এটা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং অসাংবিধানিক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর