শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আমিন কেরানী ফরিদগঞ্জের কাঁশারা সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রসার সভাপতি নির্বাচিত বাকিলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জুলহাস মিয়ার মনোনয়নপত্র দাখিল ফরিদগঞ্জ আন-নূর জামে মসজিদের কার্যক্রম উদ্বোধন রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইলে খালেদা বিদেশ যেতে পারেন: হানিফ নাঈমকে চাপা দেওয়া গাড়ির মূল চালক গ্রেপ্তার সড়ক দূর্ঘটনায় প্রান গেল ৩ কলেজের শিক্ষার্থী কচুয়ায় বিআরটিসি-সিএনজির সংঘর্ষে ৩ কলেজ শিক্ষার্থী নিহত ও আহত- ৩ জন \ এলাকায় শোকের মাতম চাঁদপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ৩ কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু দায়িত্ব নিয়েই পদত্যাগ করলেন সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁও বহুতল ভবনে আগুন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে মামলা

বৃদ্ধ-বৃদ্ধার আশ্রয় হলো অন্যের গোয়াল ঘরে

মেঘনার আলো ২৪ ডেস্ক / ৫৪ বার পঠিত
আপডেট : মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর, ২০২১, ৬:১৮ পূর্বাহ্ণ

চার কন্যা সন্তানের জনক-জননী খলিলুর রহমান ও রাবেয়া খাতুন। বিয়ের পর তারা নিজ নিজ সংসার নিয়ে ব্যস্ত। বৃদ্ধ বাবা-মায়ের খোঁজ রাখে না কেউ। সহায় সম্বলহীন বৃদ্ধ-বৃদ্ধার আয় রোজগার করারও কোনো ক্ষমতা নেই। জায়গা-জমি তো দূরের কথা, থাকার মতো ঘরও নেই। উপায় না পেয়ে তারা আশ্রয় নিয়েছেন অন্যের এক গোয়াল ঘরে। এটিই এখন তাদের একমাত্র ঠিকানা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংস্থা। ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরার শালিখা উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামে। সরেজমিনে দেখা যায়, গোয়াল ঘরে একটি ভ্যানের উপরে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা শুয়ে আছেন। স্থানীয়রা জানান, অনেক বছর ধরেই এ বৃদ্ধ-বৃদ্ধা শালিখার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন।

কথা হয় বৃদ্ধ খলিলুর রহমানের সঙ্গে। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, তার বয়স ৮৬ বছর। তার স্ত্রী রাবিয়া খাতুনের বয়স ৬৬ বছর। তাদের চার মেয়ে আছে। সবাইকে বিয়ে দিয়েছেন। তারা এখন সুখে-শান্তিতে সংসার করছে। কিন্তু বাবা-মায়ের খবর রাখে না।

কাতর কণ্ঠে তিনি বলেন, আগে তিনি পুরাতন কাপড়-চোপড় বিক্রি করে রোজগার করতেন। কিন্তু বয়স বেড়ে যাওয়ায় এখন চলাফেরার আর ক্ষমতা নেই। ৬৬ বছর বয়সী স্ত্রী রাবেয়া খাতুন খুবই অসুস্থ। ভিটেবাড়ি না থাকায় ভ্যানে করেই যেখানে সেখানে রাত কাটান। এখন চলাফেরা করার ক্ষমতা নেই বলে আশ্রয় নিয়েছেন মাগুরার শালিখা উপজেলার ছয়ঘড়িয়া গ্রামের ইলিয়াস হোসেনের বাড়িতে। ইলিয়াস হোসেন তাকে জায়গা দিয়েছেন তাদের গোয়াল ঘরে।

অশ্রু ভেজা চোখে কথা বলতে গিয়ে মাঝে মাঝে থেমে যাচ্ছিলেন খলিলুর রহমান। কীভাবে নিজেদের ভরণপোষণ চালাবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই তার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর