সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করবো। ……… চেয়ারম্যান প্রার্থী বাহাউদ্দিন খান বাহার ৯নং গোবিন্দপুর উত্তর ইউপিতে দলীয় মনোনয়নে এগিয়ে সাহাজুদ্দিন মিজি রিয়াদ আজ শেখ রাসেলের জন্মদিন ১৮ অক্টোবর, আজকের এই দিনে টিভিতে আজকের খেলা স্থানীয় ইউপি নির্বাচনে ত্যাগী ও পরিক্ষিতদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  মনোনীত করবেন …..সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি । হাজীগঞ্জে এসে সরকারের পদত্যাগ চেয়ে নিরপেক্ষ জাতীয় সরকার গঠনের আহবান: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফল প্রকাশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন পুরাতন মোবাইল দিয়ে কোটি টাকার ব‍্যবসা

স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন

মেঘনার আলো ২৪ ডেস্ক / ৫৭ বার পঠিত
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ

ফেনীর বহুল আলোচিত ব্যবসায়ী কায়সার মাহমুদ হত্যা মামলায় তার স্ত্রীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ সময় তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ড. জেবুন নেছা।

গত সোমবার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ এ রায়ের দিন ধার্য করেন আদালত। রায় প্রদানের সময় একমাত্র আসামি নিহতের স্ত্রী শাহনাজ আক্তার নাদিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রায়ে নিহতের বাবা ও মামলার বাদী প্রফেসর এমএ খায়ের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হাফেজ আহম্মদ জানান, এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আহসান কবির বেঙ্গল।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর কায়সার হত্যা মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন আদালতে সাক্ষ্য দেন।  এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি এ মামলার দ্বিতীয় তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. কামরুল ইসলাম খান ও লাশ বহনকারী কনস্টেবল আবদুল মতিন সাক্ষ্য দেন।

এ মামলার বাদী প্রফেসর আবুল খায়ের, ম্যাজিস্ট্রেট ও তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। কায়সার হত্যা মামলায় ২৯ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আলমগীর হোসেন বাসা থেকে শাহনাজ নাদিয়াকে গ্রেফতার করে ১৩ এপ্রিল বিকালে আদালতে ১৬৪ ধারা জবানবন্দি নেয়। শাহনাজ নাদিয়া ১৬৪ ধারা জবানবন্দিতে কায়সারকে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি। তিনি কায়সারকে একাই হত্যা করেছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আলমগীর হোসেন চাঁদপুর বদলি হওয়াতে ২০১৪ সালের ৭ জুন মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় এসআই কামরুল ইসলামকে। এ মামলার অপর আসামি বন্দুয়া দৌলতপুর গ্রামের মৃত মো. হাফেজের ছেলে মো. হারুন একই বছর আগস্ট মাসে দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হারুন ও নাদিয়াকে অভিযুক্ত করে ২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করে। বাদী প্রফেসর আবুল খায়ের আদালতে আপত্তি জানালে পুনঃতদন্ত করার নির্দেশ দেন আদালত। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কামরুল ইসলাম নাদিয়াকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর