বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ০২:৪৪ অপরাহ্ন

নিরক্ষর মুক্ত ও ডিজিটাল ইউনিয়ন গড়তে চাই ———- সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সাহাজুদ্দিন মিজি রিয়াদ

মেঘনার আলো ২৪ ডেস্ক / ৬২২ বার পঠিত
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ
মো. সাহাজুদ্দিন মিজি রিয়াদ

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বাকী আছে আরো কয়েক মাস। এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি নির্বাচন কার্যক্রম। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীরা এখন মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তবে তৎপরতা বেশী আওয়ামীলীগে মনোয়ন প্রত্যাশীদের। ভোটাররা এখনই আলোচনা শুরু করেছেন।
চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৯ নং গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারনা করে যাচ্ছেন জগন্নাত বিশ্ব বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মো.সাহাজুদ্দিন মিজি রিয়াদ। গত এক বছর ধরে তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে কর্মী সমাবেশ ও ঘরে ঘরে গিয়ে সবার খোঁজখবর নিচ্ছেন এ চেয়ারম্যান প্রার্থী। তিনি বলেন, সরকারের ডিজিটালের উন্নয়নের ছোঁয়া আমাদের এই ইউনিয়নে তেমন চোখে পড়ার মতো নয়। এখনো আমাদের ইউনিয়নে প্রায় সবগুলো রাস্তাই কাঁচা। সবাই ভোটের সময় অঙ্গিকার করে ইউনিয়নকে কাজের মাধ্যমে পরিবর্তন করবে। কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পর তা ভুলে যায়। নিজের আখের গোছাতেই সময় শেষ হয়ে যায়। কাজ করার আর সময় হয়ে উঠেনা।
বাংলাদেশের সকল সোনালী অর্জনের গৌরবান্নিত অংশীদার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আরেকটি সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সেই ছাত্রলীগের সাবেক একজন সক্রিয় কর্মী হয়ে জাতির পিতার আদর্শ বুকে ধারণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড হয়ে নিজে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আমার ইউনিয়নকে নিরক্ষরমুক্ত ও ডিজিটাল ইউনিয়ন গড়তেই আমি চেয়ারম্যান প্রার্থী। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সমূহ বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন চেয়ারম্যান হয়ে জনগণের সেবা করতে চাই।
রিয়াদ মিজি বলেন, আমরা পারিবারিক ভাবে বঙ্গবন্ধুর আর্দশে আওয়ামীলীগ করে আসছি। আমার বাবা মরহুম মো. আব্দুল মালেক মিজি ছিলেন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের দীর্ঘদিনের সভাপতি। তিনি কখনও লোভ-লালসার রাজনীতি করেননি। সেই শিক্ষা আমাকেও দিয়ে গেছেন। আমি ১৯৯৬ সাল থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করি। এরই দারাবাহিকতায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক ছিলাম। সেই সাথে আমি সেন্ট্রাল ল’ কলেজ ছাত্র আইন পরিষদের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রাজনীতি করে আসছি।
নেপোলিয়নের প্রখ্যাত উক্তি
তুমি আমাকে শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব
তাই আমিও আমার ইউনিয়নবাসীদের বলবো
আমাকে আপনারা একবার সুযোগ দিন , আমি আপনাদের নিরক্ষরমুক্ত ইউনিয়ন দেব
আমাদের সমাজে শিক্ষিতদের কদর কমে যাওয়ার কারনে এই সমাজে আজ নেশা, জুয়া, ইভটিজিং, যৌতুক ও বাল্য বিবাহে চেয়ে গেছে। দুঃখ লাগে যখন দেখি একজন এমএ পাশ লোক নন মেট্রিক একজন চেয়ারম্যানের কাছ থেকে চারিত্রিক সনদ নিচ্ছে। এটা আমাদের সমাজের জন্য দূর্ভাগ্য। আমরা ইচ্ছে করলেই পারি এ পরিবর্তন। তাই আমি বলবো আমাকে নয় আপনারা শিক্ষিত ও মার্জিত নির্লোভ ভালো একজন মানুষকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচনে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করুন। সেই চেয়াম্যান আপনার ইউনিয়নকে উপরোক্ত বিষয় থেকে মুক্ত রেখে আপনাদের মনের মতো করে ইউনিয়কে সাজাবে।
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর ছবিসহ দোয়া প্রার্থী লেখা পোস্টার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চলছে জোরেশোরে। এলাকাবসীরা বলেন তিনি একজন প্রতিবাদী ও পরোপকারী। তার মতো মিষ্টভাষী, সৎ ও ন্যায় পরায়ন একজন ব্যাক্তিকে এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রয়োজন। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমরা আমাদের এই প্রিয় মুখকে নৌকার চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই এবং ভোট দিয়ে জয়ের মালা পরাতে চাই।
চেয়ারম্যান প্রার্থী মো.সাহাজুদ্দিন মিজি রিয়াদ জগন্নাথ বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করে সেন্ট্রাল ল’ কলেজ থেকে এল.এল.বি শেষ করে বর্তমানে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরির পাশাপাশি নিজের ব্যবসায় জড়িত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর